মো: আলমগীর হোসেন , রাজশাহীর থেকে ফিরেঃ
ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার মেধাবী কলেজছাত্র শিমুল আনজুম পারভেজ (২২)। তার বনমেরু প্রতিস্থাপন করতে হবে।এ জন্য ৪০-৪৫ লাখ টাকা খরচ হবে।শিমুলের চিকিৎসার জন্য ইতিমধ্যে ১০-১২ লাখ টাকা খরচ হয়ে গেছে।মুদি দোকানি বাবার মাত্র দেড় বিঘা জমি ছিল তা বিক্রি করে এবং স্বজনদের কাছ থেকে টাকা জোগাড় করে চিকিৎসা চালিয়েছে ।এখন আর কিছুই অবশিষ্ট না থাকার কারণে বিত্তবানসহ সব মানুষের দারস্থ হয়েছে কলেজছাত্র শিমুলের পরিবার।শিমুল উপজেলার জোতকার্ত্তিক গ্রামের ইমরান আলীর একমাত্র ছেলে এবং নাটোর নবাব সিরাজউদ্দৌলা কলেজের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ছাত্র।তাকে বাঁচাতে ইতিমধ্যে গ্রামবাসীর উদ্যোগে শিমুল চিকিৎসা কল্যাণ তহবিল গঠন করা হয়েছে।এলাকাবাসীর সহযোগিতা ছাড়াও বিত্তবানদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে রাস্তায় নেমেছেন তারা।স্থানীয় জনগণ ও প্রতিবেশীরা সাংবাদিকদের এমন তথ্য দেন।স্থানীয়রা জানান, প্রায় দেড় মাস ধরে মেধাবী ছাত্র শিমুল অসুস্থ।ইতি মধ্যে তাকে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে গিয়ে কয়েক লাখ টাকা খরচ করেছেন।জানা যায়, শিমুল দুরারোগ্য ব্যাধি ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত।এ খবরে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন শিমুলের গর্ভধারীনি মা মিনারা বেগম।এর পর শিমুলকে বাঁচাতে নেয়া হয় ভারতের মুম্বাই টাটা মেমোরিয়াল হাসপাতালে।সেখানেই এখন চিকিৎ সাধীন শিমুল।তার চিকিৎসার জন্য ইতিমধ্যেই ১০-১২ লাখ টাকা খরচ হয়ে গেছে।মুদি দোকানি বাবার মাত্র দেড় বিঘা জমি ছিল, তা বিক্রি করে এবং স্বজনদের কাছ থেকে টাকা জোগাড় করা হয়েছিল।এখন তার কিছুই আর অবশিষ্ট না থাকার কারণে বিত্তবানসহ সব মানুষের দারস্থ হয়েছে কলেজ ছাত্র শিমুলের পরিবার।শিমুলের বাবা ইমরান আলী জানান, তার ছেলের বোনমেরু প্রতিস্থাপন করতে হবে।এ জন্য ৪০-৪৫ লাখ টাকা খরচ হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের চিকিৎসকরা।আমার যেটুকু সম্পদ ছিল তা বিক্রি করে চিকিৎসা করেছি।এখন আর কিছুই নেই।আমার একমাত্র ছেলেটাকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান মানুষের সাহায্য কামনা করছি।টাকার অভাবে আমার ছেলের চিকিৎসা বন্ধের পথে।অশ্রুসিক্ত শিমুলের মা মিনারা বেগম বলেন, আমার ছেলেকে আপনারা বাঁচান।আমাদের সামর্থ্য নেই। সবাই মিলে বাঁচান বলে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।শিমুলের চিকিৎসার জন্য সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা- মো. ইমরান আলী, হিসাব নম্বর-০২০০০১৪৯২১৩১৪, অগ্রণী ব্যাংক, চারঘাট শাখা, রাজশাহী।বিকাশ নম্বর-০১৭৭০-৩৬৪০৩৬ ।এই নম্বর ও ঠিকানায় সাহায্য পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
প্রাইভেট ডিটেকটিভ/১১ মার্চ ২০২০/ইকবাল